|
Getting your Trinity Audio player ready...
|
New Voter Apply 2026 Process: অনেকেই আছেন যারা এবার নতুন ভোটার হবেন। ইতিমধ্যে নতুন ভোটার তালিকার জন্য আবেদন পত্র পাওয়া যাচ্ছে। যার পোশাকি নাম ফ্রম নম্বর ৬। এই প্রতিবেদনে ধাপে ধাপে নম্বর ধরে ফর্ম ফিলাপের খুঁটিনাটি বিষয়গুলি তুলে ধরা হবে।
প্রথমেই দেখতে পারবেন যে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বিধানসভা নির্বাচন ক্ষেত্রে নম্বর ও নাম এক্ষেত্রে বক্সের ভিতরে থাকা জায়গাতে বিধানসভা ক্ষেত্রের নম্বর এবং পাশে নামের জায়গায় বিধানসভা ক্ষেত্রের নাম লিখবেন। এক্ষেত্রে প্রশ্ন হল কোথায় আপনারা এই সমস্ত তথ্য পাবেন। বাড়িতে যাদের ভোটার কার্ড রয়েছে তাদের ভোটার কার্ডেই বিধানসভা ক্ষেত্রের নাম ও নম্বর উল্লেখ রয়েছে সেখান থেকেই এই তথ্য গুলি সংগ্রহ করবেন।
এবার নিচে ডানদিকে একটি পাসপোর্ট আকারের ছবি দিতে হবে যার ব্যাকগ্রাউন্ড হবে সাদা। মনে রাখবেন ব্যাকগ্রাউন্ড হতে হবে সাদা। মনে রাখবেন এই ছবির নিচে কোন স্বাক্ষর বা সহি রাখা চলবে না। ছবি হবে পাসপোর্ট সাইজ অর্থাৎ ৪.৫ সেন্টিমিটার × ৩.৫ সেন্টিমিটার।

১) ক)
এবার ফ্রম এর এক নম্বরে দেখুন নাম লিখতে হবে বাংলায়। প্রথমে লিখতে হবে নাম তারপর মধ্য নাম অর্থাৎ নামের মাঝখানের অংশ। মনে রাখবেন নাম এবং মধ্য নামের মাঝখানে একটি ঘর খালি রাখতে হবে। এরপর নিচের দিকে যদি পদবী থাকে সেক্ষেত্রে পদবী দিতে হবে বা লিখতে হবে।
১)খ)
এখানে ইংরেজি ক্যাপিটাল লেটার বা বড় হাতের হরফে নাম, একটি ঘর ফাঁকা রেখে মধ্য নাম এবং সবশেষে যদি পদবী থাকে সেক্ষেত্রে পদবী লিখতে হবে।
২)ক) এবার এই জায়গাতে যেকোনো একজন আত্মীয়র নাম অর্থাৎ আপনার ভোটার কার্ডে আপনি যে আত্মীয়র নাম মা-বাবা স্বামী যার নামে রাখতে চান সেই ঘরেটিতে টিক চিহ্ন দিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে তার নাম পুরো আগের নিয়মে বাংলাতে লিখতে হবে।
২)খ) এবার ওপরে যে আত্মীয়র নাম আপনি বাংলাতে লিখেছেন সেটাই এই কলামে ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে লিখতে হবে।
৩) নিজের মোবাইল নম্বর থাকলে ডান পাশে ওপরে মোবাইল নম্বর লিখবেন। যদি আপনার মোবাইল নম্বর না থাকে সেক্ষেত্রে নিচের কলামে আপনার উল্লেখ করা আত্মীয়র মোবাইল নাম্বার লিখবেন।
৪) নিজের ইমেইল আইডি যদি থাকে সেক্ষেত্রে নিজের ইমেল আইডি লিখবেন আর যদি না থাকে সেক্ষেত্রে নিচের দিকে আপনার উল্লেখ করা আত্মীয়ের ইমেল আইডি দেবেন।
৫) যদি আপনার আধার কার্ড থাকে তাহলে পাঁচের ক আধার নম্বরের বাম পাশের ঘরে টিক দেবেন এবং ডান পাশে আধার নম্বর নির্ভুলভাবে লিখবেন। যাদের আধার কার্ড নেই তারা ৫ এর খ নম্বর টিক দিয়ে দেবেন।
৬) পরবর্তী কলামে আপনার লিঙ্গ অনুসারে লিঙ্গের পাশে থাকা বক্সে টিক চিহ্ন দেবেন।
৭) ক) এখানে আপনি আপনার জন্ম তারিখ উল্লেখ করবেন মনে রাখবেন শুরুতে তারিখ এরপর একটি ঘর খালি রেখে মাস এর পর একটি ঘর খালি রেখে সাল বা বছর উল্লেখ করবেন। মনে রাখবেন তারিখ মাস এবং বছর প্রতি ক্ষেত্রেই একটি করে ঘর মাঝখানে খালি থাকবে।
৭)ক) এবার এই কলামে বয়সের প্রমাণ হিসেবে সংলগ্ন প্রয়োজনীয় নথির সব প্রত্যয়িত কপি কোনটা উল্লেখ করবেন সেটা টিক চিহ্ন দেবেন।
অ) এখানে অ ক্রমিক নং এ মোট ছয়টি বিকল্প দেওয়া আছে। এরমধ্যে যে কোন একটি আপনি নির্বাচন করবেন। মনে রাখবেন যে ডকুমেন্টস বা প্রামাণ্য নথি আপনি নির্বাচন করছেন তার সঙ্গে জন্ম তারিখ যেন উপরে লেখা জন্ম তারিখ মিলে যায়।
যদি কারোর আধার কার্ড প্যান কার্ড না থাকে সেক্ষেত্রে তারা মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিকের এডমিট কার্ড বা সার্টিফিকেট এক্ষেত্রে উল্লেখ করতে পারেন।
আ) এখানে উল্লেখ করা হয়েছে জন্ম তারিখের প্রামাণ্যংসাপত্র হিসেবে অন্য কোন নথি অর্থাৎ ওপরের যদি ছয়টি নথি বা কাগজপত্রের মধ্যে একটিও না না থাকে এক্ষেত্রে যে কাগজপত্র আছে তার নাম এখানে উল্লেখ করবেন।
৮)ক)
এই কলমে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনাকে দিতে হবে। খুব সাবধানে তথ্য প্রদান করবেন। এখানে আবেদনকারীর বর্তমান বসবাসের সম্পূর্ণ ঠিকানা এখানে লিখতে হবে। একটি বিষয় খেয়াল করে দেখবেন যে একটি কলাম আপনাকে বাংলা হরফে লিখতে হচ্ছে। নিচে একই তথ্য আপনাকে ইংরেজি হরফে লিখতে হবে।
শুরুতে বাঁদিকে গৃহ অথবা ভবন বা এপারমেন্ট নম্বর লিখবেন বাংলাতে।
একই তথ্য নিচে হাউস বিল্ডিং অ্যাপার্টমেন্ট নম্বর এর জায়গায় ইংরেজিতে লিখতে হবে।
- এবার শহর অথবা গ্রামের নাম বাংলাতে লিখতে হবে। নিচে একই তথ্য টাউন বা ভিলেজ এর জায়গায় ইংরেজিতে লিখতে হবে।
- এবার নিচের দিকে পিন কোড বাংলা হরফে লিখতে হবে।
তার নিচে জেলার নাম বাংলা হরফে লিখতে হবে। - এবার চলে আসুন ডানদিকে গলিব অথবা এলাকা অথবা অঞ্চল অথবা মহল্লা অথবা রাস্তার নাম বাংলাতে লিখতে হবে। এর নিচে স্টেট অথবা এরিয়া অথবা লোক্যালিটি অথবা মহল্লা অথবা রোডের নাম ইংরেজি হরফে লিখতে হবে।
- এর নিচে ডাকঘর এর নাম বা পোস্ট অফিসের নাম বাংলাতে লিখতে হবে। এরপর পোস্ট অফিস যেখানে ইংরেজি হরফ লেখা আছে তার পাশে ইংরেজিতে পোস্ট অফিসের নামটি লিখবেন।
নিচে তহশিল অথবা তালুক বা মন্ডলের নাম বাংলাতে লিখবেন। - এর নিচে আপনি কোন রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বসবাস করেন সেটা বাংলাতে লিখবেন।
এবার চলে আসুন দ্বিতীয়পাতা বা দ্বিতীয় পৃষ্ঠায়।
৮)খ) এখানে আবেদনকারীর নামে থাকা অথবা তার পিতা-মাতা স্বামী স্ত্রী অথবা প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান যার নাম ইতিমধ্যে ভোটার তালিকায় রয়েছে এদের মধ্যে যেকোনো একজনের নামে থাকা ঠিকানার প্রমাণপত্রের সেলফ অ্যাটেস্টেড কপি এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। মনে রাখবেন যার নাম আত্মীয় হিসেবে যুক্ত করেছেন তার সঙ্গে সম্পর্কিত কাগজপত্র এখানে দেবেন।
অ) পরবর্তী ধাপে বাসস্থানের প্রামাণ্য নথি যা রয়েছে এর মধ্যে যেকোনো একটি থাকলেই হবে। এখানে সব মিলে সাত ধরনের নথি রয়েছে এর মধ্যে যেকোনো একটি প্রামাণ্য নথি হিসেবে দাখিল করতে হবে।
আ) ওপরে উল্লিখিত যদি কোন নথি আপনার কাছে না থাকে তাহলে অন্য কোন উন্নতি এক্ষেত্রে পঞ্চায়েত রেসিডেন্সি সার্টিফিকেট আপনি দিতে পারেন।
৯) আপনি যদি প্রতিবন্ধী হন সে ক্ষেত্রে এই কলামে আপনি প্রতিবন্ধকতার ধরন উল্লেখ করবেন। এখানে তিন ধরনের প্রতিবন্ধকতার কথা উল্লেখ রয়েছে যেমন চরৎ শক্তিহীনতা দৃষ্টিহীনতা এবং মূখ ও বধিরতা। এর মধ্যে কোনোটিই না হলে যদি অন্য কিছু হয় পাশে থাকা জায়গাটিতে যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যদি অন্য কিছু হয় সেখানে আপনার প্রতিবন্ধকতার ধরনটি লিখবেন।
এছাড়া নিচে অক্ষমতার শতকরা হার উল্লেখ করবেন। একই সঙ্গে যদি সার্টিফিকেট থাকে তার জেরক্স কপি দিয়ে দেবেন এবং ডান দিকে থাকা হ্যাঁ অথবা না এর পাশে থাকা বক্সে প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেটের জেরক্স দিলে হ্যাঁ এবং না দিলে না তে টিক করবেন।
১০) এবার যার সম্পর্কে আপনি তথ্য উপরে ৮ নম্বর কলামে দিয়েছেন তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ১০ নম্বর কলামে দিতে হবে। প্রথমে সেই পরিবারের সদস্যের নাম লিখতে হবে। এরপর আবেদনকারীর সঙ্গে অর্থাৎ আপনার সঙ্গে তার সম্পর্কের নামটিও লিখতে হবে। এবার নিচে সেই পরিবারের সদস্য বা সদস্যার ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
এবার চলে আসুন ঘোষণা অংশে।
১) আমি একজন ভারতীয় নাগরিক এবং এর পরের অংশে নিজের রাজ্যের অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নাম লিখবেন।
২) দ্বিতীয় অংশে রাজ্য/ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আপনার জেলার নাম লিখবেন।
৩) জেলার আপনার গ্রাম শহরের নাম লিখবেন গ্রাম শহরের আমার জন্ম হয়েছে।
৪) এর পরের অংশে এই ফরমের আটের ক দফায় উল্লেখিত ঠিকানা সেই ঠিকানায় আপনার বসবাসের সময় মাস ও বছর শহর উল্লেখ করবেন।
৫) এর পরের অংশে আপনি জন্মের প্রমাণপত্র হিসেবে যে প্রামাণ্য নথি দিয়েছেন সেটা যদি না থাকে তাহলে যে নথি আপনি যুক্ত করবেন সেই নথীর নাম এখানে লিখবেন।
৬) নিচে তারিখ এবং স্থানের নাম লিখবেন। ডানদিকে আপনি যদি স্বাক্ষর করতে পারেন সে ক্ষেত্রে স্বাক্ষর করবেন বাংলা অথবা ইংরেজিতে অথবা বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ দিতে পারেন।
এবার প্রাপ্তি স্বীকার পত্র বা রশিদ অংশে যিনি ফরম ফিলাপ করছেন তাকে কিছু লিখতে হচ্ছে না যিনি বিএলও আছেন বা নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বুথ স্তরের তিনি এটা পূরণ করে স্বাক্ষর করে আপনাকে ফেরত দেবেন।
Download the Voter ID application in PDF: click