RBI Repo Rate: মুদ্রানীতি কমিটি (MPC) ঘোষণায় চমক,গৃহ–ঋণ বা গাড়ি–ঋণের EMI (মাসিক কিস্তি) কমে যাওয়ার সম্ভাবনা!

Getting your Trinity Audio player ready...
সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Apnarbangla Newsdesk:গত শুক্রবার RBI-র মুদ্রানীতি কমিটি (MPC) ঘোষণায় চমক দিল। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেপো রেট ৫.৫০ শতাংশ থেকে ৫.২৫ শতাংশে নেমে এসেছে, অর্থাৎ ২৫ বেসিস পয়েন্ট (bps) হ্রাস পেয়েছে।এই সিদ্ধান্ত বিশেষভাবে গুরুত্ব বহন করে — কারণ এটি শুধুই একটি সংখ্যা কমানো নয়, বরং সে সিদ্ধান্ত যা অর্থনীতির গতি, মানুষের ঋণ-ব্যবহার এবং সামগ্রিক আর্থিক পরিবেশকে প্রভাবিত করবে।ই রেপো রেট পরিবর্তনের ফল সরাসরি পড়বে সাধারণ মানুষের কাঁধে, বিশেষ করে যারা গৃহ বা গাড়ি ঋণ নিয়েছেন। ব্যাংক যখন কম সুদে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেবে, তারা সেই সুবিধা গ্রাহকদের দিকে স্থানান্তর করতে পারে। ফলে গৃহ–ঋণ বা গাড়ি–ঋণের EMI (মাসিক কিস্তি) কমে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

আরো পড়ুন  ১০ হাজার টাকায় শুরু করুন ২৫ টি লাভজনক ব্যবসা!
RBI Repo Rate: মুদ্রানীতি কমিটি (MPC) ঘোষণায় চমক,গৃহ–ঋণ বা গাড়ি–ঋণের EMI (মাসিক কিস্তি) কমে যাওয়ার সম্ভাবনা!
RBI Repo Rate: মুদ্রানীতি কমিটি (MPC) ঘোষণায় চমক,গৃহ–ঋণ বা গাড়ি–ঋণের EMI (মাসিক কিস্তি) কমে যাওয়ার সম্ভাবনা!

 

এটি যেমন মধ্যবিত্তদের উপকার করতে পারে, তেমনই সামগ্রিক চাহিদা এবং ঋণের গ্রাহকদের স্বস্তিও বাড়াতে পারে।কিন্তু শুধু ঋণগ্রহীতাদের জন্য নয় — এই রেট কমানোর ফলে সামগ্রিক অর্থনীতি এক পুনরুজ্জীবনের দিকে এগোতে পারে। কম সুদে ঋণ সহজলভ্য হলে ভোক্তা এবং ব্যবসা দু’ই বাড়তে পারে; গাড়ি, বাড়ি কেনা, ব্যবসায় বিনিয়োগের চাহিদা বাড়বে। বিশেষত রিয়েল এস্টেট, অটো বা ভোক্তামুখী পণ্যের ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে অর্থনৈতিক গতি টিকিয়ে রাখতে এবং বেকারত্ব কমাতে এটি সহায়ক হতে পারে।

রেপো রেট কমানোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে কিছু সংশয়ের বিষয়ও রয়েছে। যখন ঋণ বা ঋণের সুদ কমে, একই সঙ্গে আমানতকারীদের জন্য FD (Fixed Deposit) বা সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদও কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। অর্থাৎ জমা রাখতে যারা টাকা রেখেছেন, তারা হয়তো আগের মতো ভালো রিটার্ন পাবেন না। এমন সিদ্ধান্ত পাশাপাশি বড় উদ্দীপনায় রয়েছে যে, এই রেট-কাট অর্থনীতিকে আরও সচল করার প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে মুদ্রাস্ফীতি (inflation) উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। খাদ্য–মৌসুমি পণ্যের দাম স্থিতিশীল, গ্লোবাল কমোডিটি দামের চাপও তুলনামূলক কম। এই পরিস্থিতিতে মুদ্রানীতি নরম করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো যুক্তিসঙ্গত। 

Leave a Comment