|
Getting your Trinity Audio player ready...
|
Primary TET Supreme court Dharmendra Pradhan: পশ্চিমবঙ্গের মতোই সারা দেশের প্রাথমিক শিক্ষকদের একটাই আলোচ্য বিষয় সেটা হল টেট। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো যে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়দানের পর থেকেই অভিজ্ঞ মহলে একটা প্রশ্ন আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল যে পুরনো শিক্ষকদের ক্ষেত্রে টেট কতটা বাধ্যতামূলক করা হবে? এবার এই প্রশ্নে নতুন করে আসার আলো জ্বালিয়ে তুলল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ।
অভিজ্ঞ মহলের ধারণা সরকারের অন্দরমহলে চলা এই বিষয়গুলি হয়তো সত্যিকারেই দীর্ঘদিনের যে সমস্যা তার স্থায়ী সমাধান আনতে চলেছে। সুপ্রিম কোর্টের বা সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশের পর কালচে তো কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান জানতে মুখিয়ে ছিলেন সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকারা। সেই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন সংসদ অরুণ কুমার সাগর। বৈঠকে উত্তরপ্রদেশের প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি পেশ করা হয় যেখানে টেট সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন তুলে ধরা হয়েছে।

আপাতত যা জানা গেছে তা হলো স্মারকলিপিতে তাদের মূল দাবি ছিল স্পষ্ট ২৯ শে জুলাই ২০১১ এর আগে যারা প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন তাদের টেট পরীক্ষায় পাশের বাধ্যবাধকতা থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি বা মুক্তি দিতে হবে। এ প্রসঙ্গে যুক্তি প্রদান করা হয়েছে যে ওই সময় এই ধরনের পরীক্ষার কোন আইনি শর্ত ছিল না। যার ফলে পরবর্তীকালে তৈরি হওয়া নিয়ম পুরনো শিক্ষকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এক্ষেত্রে অনৈতিক। আইনি সমস্যার পাশাপাশি বাস্তব সমস্যার দিকটিও তুলে ধরা হয়েছে।
জানা গেছে শুধুমাত্র টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ার দরুন অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক এখনো ইনক্রিমেন্ট বেতন বৃদ্ধি ভাতা সহ অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন যার ফলে ক্ষোভ বাড়ছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক মহলে। একশ্রেণীর শিক্ষকদের পদোন্নতি আটকে রয়েছে যা অসন্তোষের বাতাবরণ তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সংসদের বক্তব্য শোনার পর তিনি দপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা তৈরি করার কথা জানিয়ে দিয়েছেন।
তবে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোন সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত সার্কুলার প্রকাশিত হয়নি। তবে সংগঠনের তরফে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে এই ধরনের সাক্ষাৎ প্রাথমিক শিক্ষক শিক্ষিকা মহলে আশার সঞ্চার করেছে। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো যে ২৯ শে জুলাই ২০১১ এর আগে নিযুক্ত শিক্ষকদের ট্রেড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে কিনা অথবা কবে তা কার্যকর হবে এই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর এখনও অমীমাংসিত।